নবম অধ্যায়

শ্রীভগবানুবাচ - ইদন্তু তে গুহ্যতমং প্রবক্ষ্যাম্যনসূয়বে । জ্ঞানং বিজ্ঞানসহিতং যজ্‌জ্ঞাত্বা মোক্ষ্যসেহশুভাৎ ।। ১

রাজবিদ্যা রাজগুহ্যং পবিত্রমদমুত্তমম্ । প্রত্যক্ষাবগমং ধর্ম্যং সুসুখং কর্তুমব্যয়ম্ ।। ২

অশ্রদ্দধানাঃ পুরুষা ধর্মস্যাস্য পরন্তপ । অপ্রাপ্য মাং নিবর্তন্তে মৃত্যুসংসারবর্ত্মনি ।। ৩

ময়া ততমিদং সর্বং জগদব্যক্তমূর্তিনা । মৎস্থানি সর্বভূতানি ন চাহং তেষ্ববস্থিতঃ ।। ৪

ন চ মৎস্থানি ভূতানি পশ্য মে যোগমৈশ্বরম্ । ভূতভৃন্ন চ ভূতস্থো মমাত্মা ভূতভাবনঃ ।। ৫

যথাকাশস্থিতো নিত্যং বায়ুঃ সর্বত্রগো মহান্ । তথা সর্বাণি ভূতানি মৎস্থানীত্যুপধারয় ।। ৬

সর্বভূতানি কৌন্তেয় প্রকৃতিং যান্তি মামিকাম্ । কল্পক্ষয়ে পুনস্তানি কল্পাদৌ বিসৃজাম্যহম্ ।। ৭

প্রকৃতিং স্বামবষ্টভ্য বিসৃজামি পুনঃ পুনঃ । ভূতগ্রামমিমং কৃৎস্নমবশং প্রকৃতের্বশাৎ ।। ৮

ন চ মাং তানি কর্মাণি নিবধ্নন্তি ধনঞ্জয় । উদাসীনবদাসীনমসক্তং তেষু কর্মসু ।। ৯

ময়াধ্যক্ষেণ প্রকৃতিঃ সূয়তে সচরাচরম্ । হেতুনানেন কৌন্তেয় জগদ্বিপরিবর্ততে ।। ১০

অবজানন্তি মাং মুঢ়া মানুষীং তনুমাশ্রিতম্ । পরং ভাবমজানন্তো মম ভূতমহেশ্বরম্ ।। ১১

মোঘাশা মোঘকর্মাণো মোঘজ্ঞানা বিচেতসঃ । রাক্ষসীমাসুরীঞ্চৈব প্রকৃতিং মোহিনীং শ্রিতাঃ ।। ১২

মহাত্মানস্তু মাং পার্থ দৈবীং প্রকৃতিমাশ্রিতাঃ । ভজন্ত্যনন্যমনসো জ্ঞাত্বা ভূতাদিমব্যয়ম্ ।। ১৩

সততং কীর্তয়ন্তো মাং যতন্তশ্চ দৃঢ়ব্রতাঃ । নমস্যন্তশ্চ মাং ভক্ত্যা নিত্যযুক্তা উপাসতে ।। ১৪

জ্ঞানযজ্ঞেন চাপ্যন্যে যজন্তো মামুপাসতে । একত্বেন পৃথক্ত্বেন বহুধা বিশ্বতোমুখম্ ।। ১৫

অহং ক্রতুরহং যজ্ঞঃ স্বধাহমহমৌষধম্ । মন্ত্রোহহমহমেবাজ্যমহমগ্নিরহং হুতম্ ।। ১৬

পিতাহমস্য জগতো মাতা ধাতা পিতামহঃ । বেদ্যং পবিত্রমোঙ্কার ঋক্ সাম যজুরেব চ ।। ১৭

গতির্ভর্তা প্রভুঃ সাক্ষী নিবাসঃ শরণং সুহৃৎ । প্রভবঃ প্রলয়ঃ স্থানং নিধানং বীজমব্যয়ম্ ।। ১৮

তপাম্যহমহং বর্ষং নিগৃহ্ণাম্যুৎসৃজামি চ । অমৃতঞ্চৈব মৃত্যুশ্চ সদসচ্চাহমর্জুন ।। ১৯

ত্রৈবিদ্যা মাং সোমপাঃ পূতপাপা যজ্ঞৈরিষ্ট্বা স্বর্গতিং প্রার্থয়ন্তে । তে পুন্যমাসাদ্য সুরেন্দ্রলোকমশ্নন্তি দিব্যান্ দিবি দেবভোগান্ ।। ২০

তে তং ভুক্ত্বা স্বর্গলোকং বিশালং ক্ষীণে পুণ্যে মর্ত্যলোকং বিশন্তি । এবং ত্রয়ীধর্মমনুপ্রপন্না গতাগতং কামকামা লভন্তে ।। ২১

অনন্যাশ্চিন্তয়ন্তো মাং যে জনাঃ পর্য্যুপাসতে । তেষাং নিত্যাভিযুক্তানাং যোগক্ষেমং বহাম্যহম্ ।। ২২

যেহপ্যন্যদেবতাভক্তা যজন্তে শ্রদ্ধয়ান্বিতাঃ । তেহপি মামেব কৌন্তেয় যজন্ত্যবিধিপূর্বকম্ ।। ২৩

অহং হি সর্বযজ্ঞানাং ভোক্তা চ প্রভুরেব চ । ন তু মামভিজানন্তি তত্ত্বেনাতশ্চ্যবন্তি তে ।। ২৪

যান্তি দেবব্রতা দেবান্ পিতৃন্ যান্তি পিতৃব্রতাঃ । ভূতানি যান্তি ভূতেজ্যা যান্তি মদ্‌যাজিনোহপি মাম্‌ ।। ২৫

পত্রং পুষ্পং ফলং তোয়ং যো মে ভক্ত্যা প্রযচ্ছতি । তদহং ভক্ত্যুপহৃতমশ্নামি প্রযতাত্মনঃ ।। ২৬

যৎ করোষি যদশ্নাসি যজ্জুহোষি দদাসি যৎ । যৎ তপস্যসি কৌন্তেয় তৎ কুরুষ্ব মদর্পণম্ ।। ২৭

শুভাশুভফলৈরেবং মোক্ষসে কর্মবন্ধনৈঃ । সন্ন্যাসযোগযুক্তাত্মা বিমুক্তো মামুপৈষ্যসি ।। ২৮

সমোহহং সর্বভূতেষু ন মে দ্বেষ্যোহস্তি ন প্রিয়ঃ । যে ভজন্তি তু মাং ভক্ত্যা ময়ি তে তেষু চাপ্যহম্ ।। ২৯

অপি চেৎ সুদুরাচারো ভজতে মামনন্যভাক্ । সাধুরেব স মন্তব্যঃ সম্যগ্ব্যবসিতো হি সঃ ।। ৩০

ক্ষিপ্রং ভবতি ধর্মাত্মা শশ্বচ্ছান্তিং নিগচ্ছতি । কৌন্তেয় প্রতিজানীহি ন মে ভক্তঃ প্রণশ্যতি ।। ৩১

মাং হি পার্থ ব্যপাশ্রিত্য যেহপি স্যুঃ পাপযোনয়ঃ । স্ত্রিয়ো বৈশ্যাস্তথা শূদ্রাস্তেহপি যান্তি পরাং গতিম্ ।। ৩২

কিং পুনর্ব্রাহ্মণাঃ পুণ্যা ভক্তা রাজর্ষয়স্তথা । অনিত্যমসুখং লোকমিমং প্রাপ্য ভজস্ব মাম্ ।। ৩৩

মন্মনা ভব মদ্ভক্তো মদ্‌যাজী মাং নমস্কুরু । মামেবৈষ্যসি যুক্ত্বৈবমাত্মানং মৎপরায়ণঃ ।।

বাংলা মিনিং

নবম অধ্যায়

শ্রীভগবান্‌ কহিলেন - তুমি অসূয়াশূন্য, দোষদর্শী নও । তোমাকে এই অতি গুহ্য বিজ্ঞানসহিত ঈশ্বরবিষয়ক জ্ঞান কহিতেছি, ইহা জ্ঞাত হইলে তুমি সংসারদুঃখ হইতে মুক্ত হইবে । ১

ইহা রাজবিদ্যা, রাজগুহ্য অর্থাৎ সকল বিদ্যা ও গুহ্য বিষয়ের মধ্যে শ্রেষ্ঠ; ইহা সর্বোৎকৃষ্ট, পবিত্র, সর্বধর্মের ফলস্বরূপ, প্রত্যক্ষ বোধগম্য, সুখসাধ্য এবং অক্ষয় ফলপ্রদ । ২

হে পরন্তপ, এই ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাহীন ব্যক্তিগণ আমাকে পায় না; তাহারা মৃত্যুময় সংসার-পথে পরিভ্রমণ করিয়া থাকে । ৩

আমি অব্যক্ত স্বরূপে এই সমস্ত জগৎ ব্যাপিয়া আছি । সমস্ত ভূত আমাতে অবস্থিত, আমি কিন্তু তৎসমুদয়ে অবস্থিত নহি । ৪

তুমি আমার ঐশ্বরিক যোগদর্শন কর । এই ভূতসকলও আমাতে স্থিতি করিতেছে না; আমি ভূতধারক ও ভূতপালক, কিন্তু ভূতগণে অবস্থিত নহি । ৫

যেমন সর্বত্র গমনশীল মহান্‌ বায়ু আকাশে অবস্থিত, সেইরূপ সমস্ত ভূত আমাতে অবস্থিত ইহা জানিও । ৬

হে কৌন্তেয়, কল্পের শেষে (প্রলয়ে) সকল ভূত আমার ত্রিগুণাত্মিকা প্রকৃতিতে আসিয়া বিলীন হয় এবং কল্পের আরম্ভে ঐ সকল পুনরায় আমি সৃষ্টি করি । ৭

আমি স্বীয় প্রকৃতিকে আত্মবশে রাখিয়া স্বীয় স্বীয় প্রাক্তন-কর্ম নিমিত্ত স্বভাববশে জন্মমৃত্যুপরবশ ভূতগণকে পুনঃ পুনঃ সৃষ্ট করি । ৮

হে ধনঞ্জয়, আমাকে কিন্তু সেই সকল কর্ম আবদ্ধ করিতে পারে না । কারণ, আমি সেই সকল কর্মে অনাসক্ত, উদাসীনবৎ অবস্থিত । ৯

হে কৌন্তেয়, আমার অধিষ্ঠানবশতঃই প্রকৃতি এই চরাচর জগৎ প্রসব করে, এই হেতুই জগৎ (নানারূপে) বারংবার উৎপন্ন হইয়া থাকে । ১০

অবিবেকী ব্যক্তিগণ সর্বভূত-মহেশ্বর-স্বরূপ আমার পরম ভাবনা জানিয়া মনুষ্য-দেহধারী বলিয়া আমার অবজ্ঞা করিয়া থাকে । ১১

এই সকল বিবেকহীন ব্যক্তি, বুদ্ধিভ্রংশকারী তামসী ও রাজসী প্রকৃতির বশে, আমাকে অবজ্ঞা করিয়া থাকে । উহাদের আশা ব্যর্থ, কর্ম নিষ্ফল, জ্ঞান নিরর্থক এবং চিত্ত বিক্ষিপ্ত । ১২

কিন্তু হে পার্থ, সাত্ত্বিকী প্রকৃতি-প্রাপ্ত মহাত্মগণ অনন্যচিত্ত হইয়া আমাকে সর্বভূতের কারণ এবং অব্যয়স্বরূপ জানিয়া ভজনা করেন । ১৩

তাঁহারা যত্নশীল ও দৃঢ়ব্রত হইয়া ভক্তিপূর্বক সর্বদা আমার কীর্তন এবং বন্দনা করিয়া নিত্য সমাহিত চিত্তে আমার উপাসনা করেন । ১৪

কেহ জ্ঞানরূপ যজ্ঞদ্বারা আমার আরাধনা করেন । কেহ কেহ অভেদ ভাবে (অর্থাৎ উপাস্য-উপাসকের অভেদ চিন্তাদ্বারা), কেহ কেহ পৃথক্‌ ভাবে অর্থাৎ (দাস্যাদি ভাবে), কেহ কেহ সর্বময়, সর্বাত্মা আমাকে নানা ভাবে (অর্থাৎ ব্রহ্মা, রুদ্রাদি নানা দেবতারূপে) উপাসনা করেন । ১৫

আমি ক্রতু, আমি যজ্ঞ, আমি স্বধা, আমি ঔষধ, আমি মন্ত্র, আমিই হোমাদি-সাধন ঘৃত, আমি অগ্নি, আমিই হোম । ১৬

আমি এই জগতের পিতা, মাতা, বিধাতা, পিতামহ; যাহা কিছু জ্ঞেয় এবং পবিত্র বস্তু তাহা আমিই । আমি ব্রহ্মবাচক ওঙ্কার, আমি ঋক্‌, সাম ও যজুর্বেদ স্বরূপ । ১৭

আমি গতি, আমি ভর্তা, আমি প্রভু, আমি শুভাশুভ দ্রষ্টা, আমি স্থিতি-স্থান, আমি রক্ষক, আমি সুহৃৎ, আমি স্রষ্টা, আমি সংহর্তা, আমি আধার, আমি লয়স্থান এবং আমিই অবিনাশী বীজস্বরূপ । ১৮

হে অর্জুন, আমি (আদিত্যরূপে) উত্তাপ দান করি, আমি ভূমি হইতে জল আকর্ষণ করি, আমি পুনর্বার জল বর্ষণ করি; আমি জীবের জীবন, আমিই জীবের মৃত্যু; আমি সৎ (অবিনাশী অব্যক্ত আত্মা), আমিই অসৎ (নশ্বর ব্যক্ত জগৎ) । ১৯

ত্রিবেদোক্ত যজ্ঞাদিকর্মপরায়ণ ব্যক্তিগণ যজ্ঞাদি দ্বারা আমার পূজা করিয়া যজ্ঞশেষে সোমরস পানে নিষ্পাপ হন এবং স্বর্গলাভ কামনা করেন, তাঁহারা পবিত্র স্বর্গলোক প্রাপ্ত হইয়া দিব্য দেবভোগসমূহ ভোগ করিয়া থাকেন । ২০

তাঁহারা তাঁহাদের প্রার্থিত বিপুল স্বর্গসুখ উপভোগ করিয়া পুণ্যক্ষয় হইলে পুনরায় মর্ত্যলোকে প্রবেশ করেন । এইরূপে কামনাভোগ-পরবশ এই ব্যক্তিগণ যাগযজ্ঞাদি বেদোক্ত ধর্ম অনুষ্ঠান করিয়া পুনঃ পুনঃ সংসারে যাতায়াত করিয়া থাকেন । ২১

অনন্যচিত্ত হইয়া আমার চিন্তা করিতে করিতে যে ভক্তগণ আমার উপাসনা করেন, আমাতে নিত্যুযুক্ত সেই সমস্ত ভক্তের যোগ ও ক্ষেম আমি বহন করিয়া থাকি (অর্থাৎ তাহাদের প্রয়োজনীয় অলব্ধ বস্তুর সংস্থান এবং লব্ধ বস্তুর রক্ষণ আমি করিয়া থাকি) । ২২

হে কৌন্তেয়, যাহারা অন্য দেবতায় ভক্তিমান্‌ হইয়া শ্রদ্ধাযুক্তচিত্তে তাঁহাদের পূজা করে তাহারাও আমাকেই পূজা করে, কিন্তু অবিধিপূর্বক (অর্থাৎ যাহাতে সংসার নিবর্তক মোক্ষ বা ঈশ্বরপ্রাপ্তি ঘটে তাহা না করিয়া) । ২৩

আমিই সর্ব যজ্ঞের ভোক্তা ও ফলদাতা । কিন্তু তাহারা আমাকে যথার্থরূপে জানে না বলিয়া সংসারে পতিত হয় । ২৪

ইন্দ্রাদি দেবগণের পূজকেরা দেবলোক প্রাপ্ত হন, শ্রাদ্ধাদি দ্বারা যাঁহারা পিতৃগণের পূজা করেন তাঁহারা পিতৃলোক প্রাপ্ত হন, যাঁহারা যক্ষ-রক্ষাদি ভূতগণের পূজা করেন তাঁহারা ভূতলোক প্রাপ্ত হন, এবং যাঁহারা আমাকে পূজা করেন তাঁহারা আমাকেই প্রাপ্ত হন । ২৫

যিনি আমাকে পত্র, পুস্প, ফল, জল, যাহা কিছু ভক্তিপূর্বক দান করেন, আমি সেই শুদ্ধচিত্ত ভক্তের ভক্তিপূর্বক প্রদত্ত উপহার গ্রহণ করিয়া থাকি । ২৬

হে কৌন্তেয়, তুমি যাহা কিছু কর, যাহা কিছু ভোজন কর, যাহা কিছু হোম কর, যাহা কিছু দান কর, যাহা কিছু তপস্যা কর, তৎ সমস্তই আমাকে অর্পণ করিও । ২৭

এইরূপ সর্ব কর্ম আমাতে সমর্পণ করিলে শুভাশুভ কর্ম-বন্ধন হইতে মুক্ত হইবে । আমাতে সর্বকর্ম সমর্পণরূপ যোগে যুক্ত হইয়া কর্মবন্ধন হইতে মুক্ত হইয়া আমাকেই প্রাপ্ত হইবে । ২৮

আমি সর্বভূতের পক্ষেই সমান । আমার দ্বেষ নাই, প্রিয়ও নাই । কিন্তু যাহারা ভক্তিপূর্বক আমার ভজনা করেন, তাঁহারা আমাতে অবস্থান করেন এবং আমিও সে সকল ভক্তেই অবস্থান করি । ২৯

অতি দুরাচার ব্যক্তি যদি অনন্যচিত্ত (অনন্য ভজনশীল) হইয়া আমার ভজনা করে, তাহাকে সাধু বলিয়া মন করিবে । যেহেতু তাহার অধ্যবসায় উত্তম । ৩০

ঈদৃশ দুরাচার ব্যক্তি শীঘ্র ধর্মাত্মা হয় এবং নিত্য শান্তি লাভ করে; হে কৌন্তেয়, তুমি সর্বসমক্ষে নিশ্চিত প্রতিজ্ঞা করিয়া বলিতে পার যে, আমার ভক্ত কখনই বিনষ্ট হয় না । ৩১

হে পার্থ, স্ত্রীলোক, বৈশ্য ও শূদ্র, অথবা যাহারা পাপযোনিসম্ভূত অন্ত্যজ জাতি তাহারাও আমার আশ্রয় লইলে নিশ্চয়ই পরমগতি প্রাপ্ত হন । ৩২

পুণ্যশীল ব্রাহ্মণ ও রাজর্ষিগণ যে পরম গতি লাভ করিবেন তাহাতে আর কথা কি আছে ? অতএব তুমি (এই রাজর্ষি-দেহ লাভ করিয়া) আমার আরাধনা কর । কারণ এই মর্ত্যলোক অনিত্য এবং সুখশূন্য । ৩৩

তুমি সর্বদা মনকে আমার চিন্তায় নিযুক্ত কর, আমাতে ভক্তিমান্‌ হও, আমার পূজা কর, আমাকেই নমস্কার কর । এইরূপে মৎপরায়ণ হইয়া আমাতে মন সমাহিত করিতে পারিলে আমাকেই প্রাপ্ত হইবে । ৩৪





Posted by KothaBD.xyz

0 comments:

Post a Comment

 
Top